» দারিদ্রদের শিক্ষায় কাজ করছেন ড. মোঃ মুহিব্বুল্লাহ শাহিন

দারিদ্রদের শিক্ষায় কাজ করছেন ড. মোঃ মুহিব্বুল্লাহ শাহিন

যুগে যুগে মানব কল্যাণে এগিয়ে এসেছে অসংখ্য অগণিত মানুষ। তেমনি একজন মানুষের নাম ড. মোঃ মুহিব্বুল্লাহ শাহিন। তিনি একজন তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা হয়েও আর্তমানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে মানুষের মাঝে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন।

ড. মোঃ মুহিব্বুল্লাহ শাহিন নিউনেস ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বরিশাল স্বপ্নীল ল্যাবরেটরি স্কুল- ঢাকা, লায়ন শিমলা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বগুড়া পথকলি স্কুল, ঢাকা তানহা মহিলা হিফজ মাদ্রাসা, বরগুনা দারুল কুরআন মডেল মাদ্রাসা, বরগুনা মাদরাসাতুল হাসানা, বরিশাল তানহা মহিলা কওমি মাদ্রাসা, বরগুনা মাওঃ বজলুর রহমান ফাউন্ডেশন, বরগুনা প্রসপেক্ট ওয়েল ফেয়ার ট্রাষ্ট, বরিশাল সমাজ গ্রাম ও শহর উন্নয়ন সংস্থা, ঢাকা সার্ফ দ্যা ফিউচার সোসাইটি, ঢাকা মাওঃ বজলুর রহমান ফাউন্ডেশন,বরগুনা বরগুনা উন্নয়ন ফোরাম ও ঢাকা তানহা হেল্থ কেয়ার পয়েন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়াও আন নাহদা মডেল মাদ্রাসা, ঢাকা আন নাহদা ফাউন্ডেশন, ঢাকা অটিজম সাপোর্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের ভাইস চেয়ারম্যান তিনি।

ড. মোঃ মুহিব্বুল্লাহ শাহিন ১৯৮৮ সালের ১ জানুয়ারি বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করে। তার বাবার নাম হযরত মাওঃ বজলুর রহমান। একজন প্রখ্যাত আলেম ও দক্ষিণবঙ্গের অন্যতম একজন ইসলাম প্রচারক হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি ছিলো তার।

ড. মুহিব শাহিন নিজ এলাকার ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান করুনা মোকামিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। পরে মাধ্যমিকে জেলা পর্যায়ে ১ম গ্রেডে বৃত্তি লাভ করেন। দাখিল ও আলিমেও দেশ সেরাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। এরপরে ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজ থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তার নিজ থানার পাশ্ববর্তী বামনা উপজেলার বামনা সদর অর রশিদ ফাজিল মাদ্রাসা থেকে স্নাতক সমমান (ফাজিল) ও ঢাকা সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা থেকে স্নাতকোত্তর সমমান( কামিল) কৃতিত্বের সাথে পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে এল এলবি ও এল এল এম ডিগ্রি অর্জন করেন। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় ড. মুহিব্বুল্লাহ শাহিনকে ন্যাশনাল ভার্চুয়াল ইউনিভার্সিটি ফর পিস এন্ড এডুকেশন সম্মান সূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেন। পরবর্তীতে লিঙ্কন ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়া থেকে চাইল্ড এন্ড উইম্যান সাইকোলজিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন ড. শাহিন।

তিনি বর্তমান বাংলাদেশের অন্যতম একজন তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক। শৈশব থেকেই তিনি খুব মেধাবী ও সাহসী প্রকৃতির। ড.মুহিব শাহিন একজন সফল তরুণ শিল্প উদ্যোক্তা। তিনি মানহা গ্রুপের একক কর্নধর ও ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সাধারণ সদস্য। তার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানঃ মানহা এন্টারপ্রাইজ, তানহা টেক্সটাইল, সাফওয়ান ফার্ম হাউস, মানহা ডেইরি এন্ড এগ্রো, গুজেল বিডি, ম্যান এন্ড ই কমার্স ফোরাম, আল বাইয়িক ইন্টারন্যাশনাল ও টিমাস ইন্টারন্যাশনাল।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস কমিশন, বাংলাদেশ ডায়েবিটিস সমিতি উম্মাহ ফাউন্ডেশন, কাতার গ্লোবাল ট্যাম্পেল ফাউন্ডেশন, ভারত বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশন, বিএসটিএমপিআই, লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা মেট্রোপলিটনের আজীবন সদস্য ড. মোঃ মুহিব্বুল্লাহ শাহিন।
ব্যবসার পাশাপাশি তিনি আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা ইপিএস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সম্মাননা লাভ করেন। সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো :
*Bangabandhu Smriti Padak-2011 by Bangabandhu Academy.
*GTF World Summit Award-2019, Bangkok.
*World Human Rights Day Award -2011 by Human Rights Review Society.
*Serve for Excellence  Award -2020”  by Lions Clubs International.
*Global Youth Leadership Award-2021 by Global Youth Parliament , Nepal.
* women empowerment Award 2021 by Web Foundation. 
* social Excellency in Bangladesh Award 2018,Thailand.

ড. মোঃ মুহিব্বুল্লাহ শাহিন বলেন, মানবতার সেবায় আমৃত্যু নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চাই। একটি সুখি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অংশীদার হিসেবে কাজ করতে চাই।

ব্যক্তিগত জীবনে এক কন্যা ও এক পুত্র, স্ত্রী এবং মমতাময়ী মাকে নিয়ে তাঁর সুখের সংসার।

Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!

নিউজটি পড়েছেন 561 জন